আধুনিক ইতিহাসের এক অমীমাংসিত ধাঁধা ‘দ্য গ্রেট ডাইভারজেন্স’ বা পশ্চিমের অভাবনীয় উত্থান ও প্রাচ্যের স্থবিরতা। কেন মুঘল বা অটোমানদের মতো শক্তিশালী সাম্রাজ্য আধুনিকতার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ল? এই প্রবন্ধে সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে ‘রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের’ গভীরতায়। আলোচিত হয়েছে কীভাবে খ্রিস্টীয় ‘কেনোসিস’ বা ঈশ্বরের স্বেচ্ছা-সংকোচন পশ্চিমকে ব্যক্তিনিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান ও সেক্যুলার রাষ্ট্র গড়ার দার্শনিক ভিত্তি যুগিয়েছে। বিপরীতে, প্রাচ্যের নিরঙ্কুশ ঐশ্বরিক সার্বভৌমত্ব ও আশআরী দর্শন কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিবর্তনে প্রভাব ফেলেছে – ওয়েবার, শ্মিট ও তিমুর কুরানের তাত্ত্বিক কাঠামোতে তার এক নির্মোহ ব্যবচ্ছেদ এই বিশ্লেষণ। ধর্মতত্ত্ব, আইন ও অর্থনীতির এই জটিল মিথস্ক্রিয়া বুঝতে এটি একটি অপরিহার্য পাঠ।
আধুনিক বিজ্ঞান, সমাজ ও নীতিনির্ধারণের জগতে ‘প্রমাণ-ভিত্তিক সত্য’ আজকের মানদণ্ড হলেও, সত্য বলতে কেবল যা দেখা যায়, মাপা যায় – সেটাই কি যথেষ্ট? দৃষ্টবাদ (Positivism) নামের এক সাহসী কিন্তু বিতর্কিত দর্শন বলেছিল – হ্যাঁ, সেটাই যথেষ্ট, বাকিটুকু মিথ বা ছলনা। কিন্তু ইতিহাস, দর্শন আর মানুষের আবেগের জগতে ঢুকে দেখলে বোঝা যায় – এই গল্পটা তার চেয়েও অনেক গভীর, অনেক জটিল।
শরিয়াকে সাধারণত একটি অখণ্ড ও অপরিবর্তনীয় বিধান মনে করা হলেও, এই নিবন্ধটি এর গভীরে বহমান বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই ও দার্শনিক দ্বন্দ্বগুলোকে উন্মোচিত করেছে। এখানে টেক্সচুয়ালিজম বনাম কনটেক্সচুয়ালিজম, লিগালিজম বনাম মোরালিজম এবং ইজতিহাদ বনাম তাকলিদের মতো মৌলিক সংঘাতগুলো ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। শরিয়া কেবল স্থির কোনো দণ্ডবিধি নয়, বরং ঐশ্বরিক অভিপ্রায়কে মানবিক সীমাবদ্ধতা দিয়ে ধরার এক নিরন্তর সংগ্রাম। ইমাম শাফেয়ী থেকে ফজলুর রহমানের মতো তাত্ত্বিকদের দর্শনে শরিয়া কীভাবে রাষ্ট্র, সমাজ ও লিঙ্গীয় সমতার প্রশ্নে দ্বান্দ্বিক পথ পাড়ি দিয়েছে, তাই এখানে মূল উপজীব্য। এই অভ্যন্তরীণ ফাটলগুলোই শরিয়াকে ইতিহাসের বাঁকে জীবন্ত ও গতিশীল রেখেছে।
জানুন মহাভারতের যে কথাগুলো জাতিবাদের ভিত নাড়িয়ে দিতে পারে। জাতিভেদের মূলে কুঠারাঘাত করতে পারে এই বক্তব্যগুলি।
আধুনিক ইতিহাসের এক অমীমাংসিত ধাঁধা ‘দ্য গ্রেট ডাইভারজেন্স’ বা পশ্চিমের অভাবনীয় উত্থান ও প্রাচ্যের স্থবিরতা। কেন মুঘল বা অটোমানদের মতো শক্তিশালী সাম্রাজ্য আধুনিকতার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ল? এই প্রবন্ধে সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে ‘রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের’ গভীরতায়। আলোচিত হয়েছে কীভাবে খ্রিস্টীয় ‘কেনোসিস’ বা ঈশ্বরের স্বেচ্ছা-সংকোচন পশ্চিমকে ব্যক্তিনিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান ও সেক্যুলার রাষ্ট্র গড়ার দার্শনিক ভিত্তি যুগিয়েছে। বিপরীতে, প্রাচ্যের নিরঙ্কুশ ঐশ্বরিক সার্বভৌমত্ব ও আশআরী দর্শন কীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিবর্তনে প্রভাব ফেলেছে – ওয়েবার, শ্মিট ও তিমুর কুরানের তাত্ত্বিক কাঠামোতে তার এক নির্মোহ ব্যবচ্ছেদ এই বিশ্লেষণ। ধর্মতত্ত্ব, আইন ও অর্থনীতির এই জটিল মিথস্ক্রিয়া বুঝতে এটি একটি অপরিহার্য পাঠ।
