সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাকের কেন এই মিথ্যাটি বলতে হলো, সেটি খুবই হতাশ করা বিষয়। কারণ, সর্বশক্তিমান আল্লাহ চাইলেই একলক্ষ বা এককোটি ফেরেশতা পাঠিয়ে কাফেরদের তুলোধোনা করে ফেলতে পারতেন
চার্লস ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন থেকে শুরু করে আজকের জিন এডিটিং প্রযুক্তি – বিবর্তনের বিজ্ঞান এক দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। এই যাত্রায় যুক্ত হয়েছে জেনেটিক্সের গাণিতিক সূত্র, আণবিক স্তরের নিরপেক্ষ পরিবর্তন, এবং ভ্রূণের বিকাশে জিনের জাদুকরি খেলা। আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের দেখিয়েছে, বিবর্তন কেবল টিকে থাকার লড়াই নয়; এটি জিন, পরিবেশ ও সংস্কৃতির এক জটিল মিথস্ক্রিয়া। প্রাচীন হাড় থেকে ডিএনএ উদ্ধার করে আমরা জানছি আমাদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়দের কথা। এপিজেনেটিক্স প্রমাণ করেছে, আমাদের জীবনাচরণ পরবর্তী প্রজন্মকেও প্রভাবিত করে। আর এখন, মানুষ নিজেই তার বিবর্তনের চালক হয়ে উঠছে। এই লেখাটি বিজ্ঞানের সেই বিস্ময়কর অগ্রগতির এক বিস্তারিত দলিল।
মহাবিশ্বের বিশাল বিশৃঙ্খলার মাঝে মানুষের মস্তিষ্ক বিন্যাস খোঁজে, আর এই খোঁজের প্রধান হাতিয়ার হলো যুক্তিবিদ্যা বা লজিক। এই লেখাটি কেবল যুক্তির সংজ্ঞা বা ইতিহাসেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এক ব্যবহারিক টুলবক্স যা আমাদের অপরিচ্ছন্ন চিন্তাকে শৃঙ্খলিত করতে শেখায়। সত্য ও বৈধতার পার্থক্য, ডিডাকশন ও ইন্ডাকশনের পথ, এবং চিন্তার সাধারণ ভুল (ফ্যালাসি) থেকে শুরু করে আমাদের মস্তিষ্কের গভীরে থাকা পক্ষপাত (কগনিটিভ বায়াস) – সবকিছুই এখানে আলোচিত। চূড়ান্তভাবে, এটি কুসংস্কারের অন্ধকারে যুক্তিবাদের মশাল জ্বালিয়ে সত্য অনুসন্ধানের এক বুদ্ধিবৃত্তিক অভিযাত্রা, যা আমাদের নির্ভুলভাবে চিন্তা করতে এবং প্রতারণার ফাঁদ এড়াতে সাহায্য করে।
ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি এক জটিল গোলকধাঁধা। কারো কাছে বন্ধু, কারো চোখে শত্রু। এটি কি ধর্মহীনতা, নাকি বহুত্ববাদী সমাজের রক্ষাকবচ? এই লেখাটি প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো ভেঙে এর গভীরে প্রবেশ করেছে। ইউরোপের রক্তাক্ত ধর্মীয় যুদ্ধ থেকে জন্ম নেওয়া এই দর্শনের ঐতিহাসিক পথচলা, ফ্রান্স থেকে ভারত পর্যন্ত এর নানা রূপ এবং আধুনিক রাষ্ট্রে এর অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। একইসাথে, এর সীমাবদ্ধতা, প্রায়োগিক ব্যর্থতা এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর সংকটপূর্ণ যাত্রাও নির্মোহভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এটি কোনো সহজ রায় নয়, বরং রাষ্ট্র, ধর্ম ও ব্যক্তির স্বাধীনতাকে নতুন করে বোঝার এক দীর্ঘ অনুসন্ধানী যাত্রা।
জানুন মহাভারতের যে কথাগুলো জাতিবাদের ভিত নাড়িয়ে দিতে পারে। জাতিভেদের মূলে কুঠারাঘাত করতে পারে এই বক্তব্যগুলি।
জাকির নায়েক দাবী করছেন যে, খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে নাকি খুব পরিষ্কারভাবে নবী মুহাম্মদের আগমনের ভবিষ্যবাণী করা আছে।
পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে কীভাবে প্রাণ সৃষ্টি হয়েছিল অনুসন্ধান করতে গিয়ে তাদের মতবাদের স্বপক্ষে প্রাণের মৌলিক উপাদান আরএনএ’র নিউক্লিওটাইড সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হলেন
ভারতীয় সিনেমার খ্যাতনামা অভিনেতা শাহরুখ খান তার মৃতদেহ সৎকার পালনে চলে গিয়েছিলেন, এবং শাহরুখ তার নিজ ধর্মের রীতি অনুসারে ইসলাম অনুসারে মুশরিক লতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
